Copy
Bengali Association Singapore (BAS) Special "নববর্ষ e-Newsletter
1st May 2016
- আচ্ছা, শুনলাম এই আরেব্‌BAS newsletter নাকি আজকেও বেরোচ্ছে?
- ও খবর পেয়ে গেছেন?
- পাবো না? যে রেটে publicity চলছে....... নববর্ষ program নিয়ে দেখছেন না ? - সকাল বিকেল posting
- আরে যুগটাই তো publicity-র। - আর তাছাড়া সবাই এত খেটেখুটে তৈরি করছে
- সে যাই হোক। কিন্তু এই Newsletter-এর ব্যাপারটা কিরকম হল? এই সেদিন আপনি বললেন quarterly - এখন তো দেখছি প্রতি মাসেই বেরোচ্ছে
- আহা এটা হল গিয়ে special edition - নববর্ষ অনুষ্ঠান উপলক্ষে
- তা উপলক্ষ না হয় বুঝলাম, কিন্তু এই এক মাসের মধ্যে এমন কিছু তো news তৈরি হয়নি যে newsletter বেরোবে
- আরে না না, এটা special নববর্ষ edition - এতে news তেমন কিছু থাকবে না; Mainly member দের লেখা, আঁকা এইসব
- হ্যাঁ তাই ভাবি - এই একমাসে তো তেমন নতুন কোনো অনুষ্ঠান বা কিছু - হ্যাঁ ওই LiSHA-র Indian Cultural Fiesta, Bukit Batok Community Club-এ Sangamam আর ওই Facebook-এ নববর্ষ countdown ছাড়া
- LiSHA-র program আর Sangamam-এ কিন্তু আমাদের মেয়েরা ভালো perform করেছে
- হুম‌্‌! আমি যাইনি - এত সময় কোথায় মশাই?
- আর ওই নববর্ষ countdown - ওটা কিন্তু একটা নতুন ব্যাপার
- হুঁ:, সবেতেই countdown! কিন্তু পাবলিক কি তেমন খেয়েছে?
- খেয়েছে না মানে? রীতিমতো খেয়েছে। comment গুলো পড়েন নি?
- আরে ধুর মশাই - সমস্ত নষ্টালজিয়ার ন্যাকামি। বাঙ্গালীকে কাত করার অনেকগুলো রাস্তার মধ্যে এটা একটা। নষ্টালজিয়ায় একটু সুড়সুড়ি - ব্যাস আর দেখতে হবে না ...... জল ফোটার সময় বুদ্‌বুদ্‌ ওঠে দেখেছেন তো? - সেইরকম সব নষ্টালজিয়ার বুদ্‌বুদ্‌ ভুর ভুর করে বেরোতে থাকবে চারিদিক থেকে - ভীষন ছোঁয়াচে ব্যাপার
- যাই বলুন লেখাগুলো কিন্তু খারাপ না
- দূর দূর! উপমার বহর দেখেছেন - নরম তুলতুলে রসগোল্লা - তা মশাই রসগোল্লা কি নরম তুলতুলে না হয়ে লোহার মত শক্ত হবে?
- ওটা উপমা নয় - just একটা description
- ওই হল
- আর তাছাড়া ওটা হল লেখার একটা কায়দা - সে যাই হোক, লোকে কিন্তু পড়েছে
- হুঁ, সে তো like আর comment এর বহর দেখেই বোঝা যাচ্ছে ......হাতে গুনে ফেলা যায় 
- আহা পড়লেই কি like আর comment দিতে হবে নাকি? পড়ে মজা পাওয়াটাই আসল
- আপনি দেখছি খুবই সহানুভুতিশীল
- হ্যাঁ, আর না হওয়ারই বা কি আছে? যাক্‌গে আপনাকে চুপি চুপি একটা খবর দিয়ে রাখি - এইবার external artist আনার ব্যাপারে একটা চমক থাকছে।
- চমক টা দেখছি ইদানীং খুব চলছে - মাঝে মাঝেই রীতিমতো চমকে চমকে উঠছি - তা ব্যাপারটা কি?
- নাঃ এর বেশি এখন বলা যাবে না - শুধু জেনে রাখুন একটা চমক
- হুঁ:, আবার এমন না হয় যে external artist-এর program-টাই হাওয়া হয়ে গেল- Facebook-এ এতসব মতামত নিয়ে তারপর দেখব -
- আরে না - তা নয় - program তো হবেই - তবে একটা চমক
- হুঁ, বোঝা গেল। যাই হোক চলি এখন - বিকেলে আবার নববর্ষ program-এ আসতে হবে
- হ্যাঁ হ্যাঁ নিশ্চয়ই - আসুন - বিকেলে দেখা হবে। তাড়াতাড়ি আসবেন - হাই টি কিন্তু 5 টা তে শুরু হয়ে যাবে। 
special নববর্ষ edition
Here's a teaser for yourself to get a gist of what we are trying to bring forth to you. Hope you enjoy watching it as much as we enjoyed making it!!!
News & Announcements
Special Announcement
BAS Introduces PayPal Payment Gateway



MEMBERS CAN NOW USE PAYPAL FOR MEMBERSHIP SUBSCRIPTIONS & PUJO OVERHEAD PAYMENTS JUST ON THE GO.
Pay Now
Members' Area
আমাদের  সমর্পণ
বাঙালী ও আড্ডা এ যেন দুই সমার্থক শব্দ। ছোটবেলায় কোলকাতায় দেখেছি, পাড়ায় পাড়ায় ক্লাব। পাড়ার ক্লাব ছিল ছেলে বুড়োর মিলিত হওয়ার জায়গা, গুলতানি মারার ঠেক। আমাদের পাড়াতেও যথারীতি একটা ক্লাব ছিল। তার নাম ছিল “প্রোগ্রেসিভ সোসাইটি" - মূলত বক্সিং ক্লাব। সে ক্লাবে বিকেলের আড্ডা ছাড়াও ছোকরারা নিজ স্বাস্থ্যের “প্রোগ্রেসের" জন্য সকাল বিকেল ডন বৈঠক মারত আর দেওয়ালে ঝোলানো চামড়ার থলেটাতে ঘুসি মেরে মেরে অদৃশ্য বিপক্ষের বিরুদ্ধে বক্সিং অভ্যাস করতো। এছাড়াও ঘরে ঘরে চাঁদা তুলে পাড়ায় দুর্গাপুজো ও সরস্বতী পুজোর ব্যবস্থা করতো। পঁচিশে বৈশাখ ও বিজয়ার পরে ক্লাব  থেকে  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন হত।    
 
পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেরিয়ে এলে এই পাড়ার ক্লাব হয়ে যায় স্থানীয় বেঙ্গলী অ্যাসোসিয়েশন। কোলকাতা বহুদিন ইংরেজের রাজধানী থাকার দরুন বাঙালীর মত 'আংরেজী' প্রীতি খুব কম  জাতের মধ্যে দেখা যায়। বাঙালী তার গদগদ ইংলিশ প্রীতি সহ রায়বাহাদুর তকমা এঁটে ঘুরতে পারে, ইংলিশ উচ্চারনের এদিক সেদিক দেখলে চুরুট মুখে ঠোঁট বাঁকাতে পারে, কিন্তু আরেকজন বাঙালীর “অ্যাসোসিয়েশন" বিনা বাঁচতে পারে না। বাঙালীত্ব হল বাঙালীর বেঁচে থাকার অক্সিজেন, ভালো থাকার ম্যাজিক কার্পেট।   

পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেরিয়ে ভারতবর্ষের সীমানার বাইরে পা রাখলে এই বেঙ্গলী  অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা  হয়ে পড়ে  অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি অ্যাসোসিয়েশনের সাথে কোন বড় শহর বা রাজ্যের নাম জুড়ে যায়। এখন আর শুধু অ্যাসোসিয়েশন নয়, বিদেশের মাটিতে বেঙ্গলী অ্যাসোসিয়েশন হয়ে দাঁড়ায় হোম অ্যাওয়ে  ফ্রম হোম। 

এমনই হল আমাদের বেঙ্গলী অ্যাসোসিয়েশন সিঙ্গাপুর বা সংক্ষেপে BAS, সিঙ্গাপুরের বাঙালীদের আনন্দের কেন্দ্রবিন্দু। বেঙ্গলী অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে BAS এর ব্যাপ্তি কিন্তু রীতিমতো ঈর্ষনীয়। শুধুমাত্র সদস্য সংখ্যায় নয়, সদস্যদের গুণে ও মানে  BAS এক ঝলমলে উজ্জ্বল গোষ্ঠী। এই বিপুল সংখ্যক গুণী এবং অর্থবান মানুষের একত্রীকরণে, BAS এর ক্ষমতা আজ  আকাশছোঁয়া। এত ক্ষমতা স্বত্বেও এযাবৎ BAS এর চারণক্ষেত্র পূজো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এই নিয়মমাফিক পূজো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও সিঙ্গাপুর সমাজকে BAS আরো কিছু দেওয়ার শুধু ক্ষমতাই নয়, ইচ্ছেও রাখে। BAS এর সেই ইচ্ছের প্রথম পদক্ষেপের নাম “সমর্পণ"। 
 
সমর্পণ অর্থাৎ দান। কি দান? অর্থ ও সময়। সমাজের বিভিন্ন খাতে যেমন ওল্ড এজ হোম, চিলড্রেন এডুকেশন, ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি ডিসেবেলড, ক্যানসার ইত্যাদি ক্ষেত্রে সমর্পণ অতি আদরণীয়। গতবছর থেকে BAS এই সমর্পণের কাজ শুরু করেছে। বিন্দুতে বিন্দুতে সিন্ধু হয়, BAS এর সদস্যদের সম্মিলিত প্রয়াসে ইতিমধ্যেই  “সমর্পণ" বেশ কয়েকটি সংস্থার সাথে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে আরো নতুন পথে, আরো বৃহত্তর ভূমিকায় “সমর্পণ" এর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য BAS এর কর্মকর্তারা নানারকম  চিন্তাভাবনা  করছেন। আশা করা যায়, সমাজের জন্য BAS এর  এই গম্ভীর প্রয়াস “সমর্পণ", ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌঁছে যাবে, চাঁদের দেশে, পরিকল্পিত গন্তব্যে ।

 
- স্বপ্না মিত্র
একটি সুন্দর সংযত, সুনিয়ন্ত্রিত মন - দেবসুখ, মনুষ্যসুখ, ব্রহ্মসুখ এমনকি পরমসুখ লাভের হেতু করে দিতে পারে

- সুজাতা ঘোষ (আঁকা ও লেখা)

জাম কাহানী
তপ্ত দুপুরে বাজারে জাম দেখতে পেয়ে আমি একেবারে আত্মহারা। কত বছর জাম খাইনি! যদিও এই জাম আমার গ্রামের বাড়ির মত স্বাদের নয়, তবুও তো জাম!  বিকেলে বাটি ভরে জাম নিয়ে বসেছি, জানলা দিয়ে পশ্চিমের আকাশটা চোখে পড়ল। সতেরো তলা থেকে দিগন্তের পুরোটাই আমার দৃষ্টি-বন্দী। ঘন কালো মেঘ পুরো আকাশটা ছাতার মত ছেয়ে রেখেছে। দূরে যে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে তার আভাস পাচ্ছি ঠাণ্ডা বাতাসে। আনন্দ হল খুব। আর দেরি নেই। এবার আমাদেরও তেষ্টা মিটবে। আর একটু অপেক্ষা। দেখতে দেখতে, ভাবতে ভাবতে কেমন করে কোথায় যেন হারিয়ে গেলাম। 

প্রখর গ্রীষ্মের দুপুর। দরজা জানলা বন্ধ করে অন্ধকার ঘরে মেঝেতে জল ঢেলে আপ্রাণ চেষ্টা চলছে যদি একটু তাপদাহ কমে। উপরে টিনের ছাদ। মাথার উপর বনবন ঘুরছে উষা ফ্যান। গরম হল্কা হাওয়া। টেকা দায়। “বন্ধ কর”। মাদুর পেতে সবাই মেঝেতে শুয়ে। কে যে বলল আর কে যে পাখা বন্ধ করল জানা গেল না। তবে কেউ ত করল। একটু পরে যখন সবাই ঘামতে শুরু করেছে, পাখা টা আবার কেউ চালাল। এবার ঘাম শুকোবে। কিছুক্ষণ মাএ। আবার সেই তাপদাহ। আবার সেই খোলা বন্ধের পুনরাবৃত্তি। পুরো গ্রীষ্মের  দুপুর আমাদের গ্রামের বাড়ির চেহারাটা এমনি।

আর তো পারা যায় না! ছুটকারা চাই। চুপিসারে টুল টেনে দরজার ছিটকিনি খুলে আস্তে আস্তে পা টিপে টিপে দে ছুট। এক্কেবারে বাইরে। আম জাম পেয়ারা কাঁঠাল ঘেরা ফলের বাগানে। আঃ! কী শান্তি এই গাছের তলায়! অনেক ঠান্ডা এখানে ওই চার দেয়ালের বন্দী ঘরটা থেকে। ধূ ধূ করছে দূরে মাঠ টা। তার ওপারে কয়েকটা বসতি ঘর। আমি জানি আমার মতই ওরাও ঘরে ছটফট করছে। মাঠ পেরিয়ে আমাদের বাগানে চলে আসাটা সহজ বা স্বাস্থ্যকর কোনটাই নয়। লু লেগে যাবে তো! তাই একাই আমতলা জামতলা ঘুরে বেড়াচ্ছি। কোনো কাক কা কা করে জলের আশায় ঘুরে মরছে ত অন্য দিকে ডাহুক পাখি ডেকে ডেকে সারা হচ্ছে।

আমি টেপ ফ্রক এ কোঁচর ভরে কিছু পড়ে থাকা আমের কষ্টি তুলছি আর ফেলছি। জাম পাকা শুরু করেছে। কয়েক টা নীচে পড়ে আছে। বেশীটাই থেঁতলে গেছে। খড়ের গাদা থেকে যেগুলো পাওয়া গেল সেগুলো খাওয়া যাবে। নষ্ট হয় নি। একটু দূরে জাম গাছের গোড়ায় আমাদের গরুটা বাঁধা। বসে বসে জাবর কাটছে। বাছুরটা চার হাত পা ছড়িয়ে  শুয়ে দুপুরের ঘুম লাগাচ্ছে। 

জাম গাছের উপরের দিকে তাকিয়ে দেখি, ‘ আরে না!! মগ ডালের জামগুলো তো বেশ টশা টশা! নীচে পড়লেই ওই গুলো নষ্ট হবে, থেঁতলে যাবে, গরু খাবে। কী করা!’ ভাবা মাএ কাজ শুরু। চল্। আর দেরী নয়। জাম গাছের গোড়ায় বাঁধা জাবর কাটায় ব্যস্ত গরুটাকে পাশ কাটিয়ে এক লাফে সবথেকে নিচের ডালটা ধরে ফেললাম। তারপর পূর্ব পুরুষের কৌশলে এ ডাল থেকে সে ডাল হয়ে এক্কেবারে মগড।ল। আর কোনো শাখা বেঁচে নেই যাতে পা রেখে আর একটু উপরে ওঠা যায়। এবার কেবল হাতের কাছে পাকা পাকা বড় বড় নিটোল টসটসে রসালো জাম আর চারধারে যত দূর দেখা যায় ততদূর আমাদের নিঝুম গ্রাম।

উপর থেকে কী যে অপূর্ব দৃশ্য! সবুজ গাছের মাঝে মাঝে প্রতিবেশী বাড়ির পোড়া মাটির টালির ছাদ। কোনো কোনো বাড়ির চালে চালকুমড়ো হয়ে আছে। সাদা সাদা ফুল ধরেছে লাউয়ের মাচায়। লাল মাটির পথ এঁকে বেঁকে গ্রামের মাঝ বরাবর এ প্রান্ত থেকে সে প্রান্তে চলে গেছে। অন্য দিকে সাঁওতাল  পাড়া। ঝকঝকে মাটি লেপা দেওয়াল আর খড়ের ছাউনির এিকোণ চাল। দাওয়ায় সাদা কালো মেটে রঙের ছাগল দড়ি দিয়ে বাঁধা। গরমে ধুকছে। তার মধ্যে কয়েকটা মোরগ মাথার ঝুঁটি নাড়িয়ে নাড়িয়ে খড় খসা ধানের তুষ খুঁটে খাচ্ছে। চোখ পিটপিট করে মা মুরগিটা পিঠের উপর ছানাগুলোর দাপাদাপি উপভোগ করে চলেছে।  যত দূর চোখ গেল কোথাও কোনো  জন মানব দেখা গেল না। কেমন যেন ছবির মত সব!......নাঃ! এবার জামে মন দেওয়া যাক। নাকের ডগায় হাতের নাগালে জামগুলো দুলছে। পাড়ায় এই জামের খুব প্রশংসা। মিথ্যে নয়। আমার জীবনে এমন রসাল আর মিষ্টি জাম আজ পর্যন্ত খাই নি। চলো, আর কেনো! এবার পাড়ো আর খাও।

কতক্ষণ যে গাছে বসে জাম খেয়ে আর গ্রামের চারদিক দেখে  সময় কেটেছে খেয়াল নেই। হঠাৎ মনে হল সন্ধ্যে হয়ে গেছে। খুব অন্ধকার হয়ে আসছে। কোথা থেকে যেন ঠান্ডা বাতাস বইছে। আরাম বোধ হল। মুখ তুলে আরামটা নিতেই আকাশপাণে চেয়ে দেখি পশ্চিম আকাশ কালো কুচকুচে। ভুবন দোলাতে দোলাতে ঘন কালো চুলের জটা পাকাতে পাকাতে নিমেষে গ্রামটা ঢেকে দিল কালো দস্যুটা। প্রবল হাওয়ায় হেলতে দুলতে লাগলো জাম গাছের মগ ডাল। দূরে মা’র ডাক আর সঙ্গে আর্তনাদ শোনা গেল, “কোথায় গেল মেয়েটা আমার এই ঝড়ে!!”  আর তো নিজেকে সামলানো যাচ্ছে না! ‘মগডালটা ভেঙ্গে পড়বে না তো?!’ তরতর করে নামার চেষ্টা চালাচ্ছি। বারে বারে দম্কা হাওয়া বাধ সাধছে। কয়েক মুহূর্ত যেতেই ঝড়ের সঙ্গী হল প্রবল বর্ষণ। সমস্ত গাছ ভিজে একাকার। সারা শরীরে একটা সূতোও শুকনো নেই আমার। জামের ডাল এমনিতেই খুব নরম। তাতে জলে ভিজলে খুব পিছল হয়ে যায়। ফলে যত তাড়াতাড়ি নামব ভাবছি, ঠিক ততটা হচ্ছে না। চার তলা সমান জাম গাছের মগ ডাল থেকে কখন মাটিতে পা রাখব! ‘হে ভগবান রক্ষা কর!' সন্তর্পণে ডালে পা রেখে রেখে নামছি। আর মাএ দুটো ধাপ। ‘ধপ্’। মরাৎ করে হাতে ধরা ডালটা ভাঙল নিচের ডালে পা রাখার আগেই। ছোট্টো রোগা পাতলা মেয়েটা বৃষ্টি ভিজে জামের রস আর কাদা মেখে মাটিতে পড়ল।

দুপুরে আর দরজা খুলে বাগানে যাইনি এক মাস। মা’র বকুনি সেদিন পুরো হজম করেছি মুখ বুজে। পায়ে চুন হলুদ গরম করে লাগাতে লাগাতে মা অনেক বুঝিয়েছে যে কাজ টা আমার ঠিক হয় নি। আরও অনেক বিপদ হতে পারতো। আর যেন কোনদিন গাছে না উঠি। মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়েছি। মা নিশ্চিন্ত হয়েছে যে দুপুর জেগে মেয়েকে আর পাহারা দিতে হবে না।মচ্কানো পা নিয়ে গোটা গরমের ছুটি কাটিয়েছি সেবার। পরের বছর থেকে জাম গাছটাকে এড়িয়ে চলেছি। আম গাছের ডাল জামের থেকে শক্ত আর ভিজলেও পিছল হয়ে যায় না। মগডালের পাকা আমও ততটাই রসাল আর মিষ্টি!

সে আজ কতকাল!!!

 
- দেবযানী ঘোষ
বাঙ্গালীর বড়াই
হ্যাঁ, আমরা একশো ভাগ বাঙ্গালী – আর এটাই আমাদের প্রথম গর্ব – এটাই বাঙ্গালীর প্রধান বড়াই। নিন্দুকেরা বলে – “বাঙ্গালী আড্ডাবাজ”, “মাছে-ভাতে বাঙ্গালী”, “বাঙ্গালী আরামপ্রিয়” … ইত্যাদি। হ্যাঁ, মানছি – বাঙ্গালী আড্ডা দিতে ভালবাসে। কিন্তু, যন্ত্রের মতো শুধু খেটে গেলে, তাতে কোন বাহাদুরি নেই। আড্ডাটাও দরকার মনকে ফ্রেশ রাখতে, কাজে নতুন উদ্দম আনতে। তবে আগের মতো বাঙ্গালীর আড্ডা এখন আর বিশেষ হয়না। স্মার্ট ফোনের কল্যানে এখন বেশির ভাগই এতেই ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে।
“কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই।“

আর বাঙ্গালী মাছ-ভাত প্রিয়, ভোজন রসিক- এটা তো ইতিহাস। বাঙ্গালীর বিভিন্ন পালা-পার্বনে চর্ব্য-চোষ্য দিয়ে পেট পূজোর আয়োজন সে কারনেই করা হয়।

এছাড়া, বাঙ্গালী আরাম-প্রিয় আর ঘুম-প্রিয়ও বটে। সেটা অস্বীকার করবোনা, নিজেকে দিয়েই বুঝি! তবে এটা ঠিক যে- বাঙ্গালী শুয়ে শুয়েও ক্রিয়েটিভ চিন্তাভাবনা করে। তা নাহলে, সিঙ্গাপুরে “BAS” গঠন সম্ভব হতো কি? বিদেশের মাটিতে, বাংলা নববর্ষ-বরনের ভাবনাও মাথায় আসতো কি? দুর্গাপূজার কথাও ভাবা হতো না। দুর্গাপূজার কথা মনে আসতেই মনে পড়লো যে, এই দুর্গোৎসবই হল বাঙ্গালীর সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব- যে উৎসব আজ বিশ্বের “বৃহত্তম” উৎসব হিসেবে স্বীকৃত। এটা কি বাঙ্গালীর বিশেষ ভাবে বড়াই করার মতো বিষয় নয়?

এবার বাঙ্গালীর জিভে জল আসা মিষ্টি, মিষ্টান্ন, দই ও পিঠেপুলির কথা মনে এল। সত্যি বাংলার এত বিচিত্র রকমের সুস্বাদু মিষ্টির সম্ভার আছে যার তালিকা এই স্বল্প পরিসরে লিখে শেষ করা যাবেনা। পৌষপার্বণে পিঠে পুলিও বাঙ্গালীর রসনা-তৃপ্তিতে অপরিহার্য।

বাঙ্গালীর বড়াই করার আর একটি বিষয় হল- বাঙ্গালীর “বুদ্ধি”। বাঙ্গালীর বুদ্ধি ও বিচক্ষনতা যথেষ্ট প্রখর ছিল সেটা স্বীকৃত এক সময়ে। তাই হয়তো সবার মুখে মুখে এই কথাটা ঘুরত- “What Bengal thinks today, India will think tomorrow”। বর্তমানে অবশ্য দিন কাল অনেক পালটে গেছে। বাঙ্গালীর সেই সুনাম এখন আর বিশেষ শোনা যায়না। 

তবে বেশকিছু বাঙ্গালী কৃতি সন্তানের নাম এই মুহূর্তে মনে পড়ছে যারা বিশ্বের দরবারে বাংলা তথা ভারতের মুখোজ্জ্বল করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে যার নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য তিনি হলেন, ঠাকুর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণের ভাবধারায় দীক্ষিত ও মন্ত্রশিষ্য, যুবা সন্যাসী- স্বামী বিবেকানন্দ। বাংলার একজন কৃতি মহাপুরুষ- যিনি জগৎসভায় ভারতকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তাঁর যুবা বয়সেই। আমরা জানি যে তিনি আমেরিকার শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হিন্দু ধর্ম সম্মেলনে বক্তৃতা দেওয়ার জন্যে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। সেই সভায় শুরুতেই তিনি উপস্থিত বিস্ববাসীর উদ্দেশ্যে- “My brothers and sisters” বলে সম্বোধন করে সকলের মন জয় করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। বিশ্ববাসীকে বিশ্বভ্রাতৃত্তে তিনি উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। এই অসাধারন বাঙ্গালী সন্তানের জন্যে বাঙ্গালীদের গর্বের শেষ নেই।
 
আর একজন কৃতি বাঙ্গালী সন্তান হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি বাংলায় "গীতাঞ্জলী" রচনা করে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সম্মান নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এই প্রসঙ্গে আরো এক বাঙ্গালীর নাম মনে পড়ে- চলচিত্রে কৃতিত্তের জন্যে অস্কার পুরস্কার পেয়েছেন তাঁর রোগ শয্যায়- তিনি হলেন- সনামধন্য সত্যজিৎ রায়।
 
বাঙ্গালীর বড়াই করার আরো এক বিশেষ রত্ন- নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী এই বীর সেনানী "আজাদ হিন্দ ফৌজ" গঠন করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। এই মহান নেতার কাছে আমরা বাঙ্গালীরা তথা ভারতবাসী ঋণী।
 
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক বাঙ্গালী সন্তান শহিদ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শহিদ ক্ষুদিরাম বসু ফাঁসীর মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে গেয়েছেন জীবনের গান— “একবার বিদায় দে মা , ঘুরে আসি।”— বিঞ্জানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু, ডাঃ মেঘনাদ সাহা , সমাজ সংস্কারক— রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মত ব্যাক্তিত্তরা বাংলা মায়ের সুসন্তান— যাঁরা বাংলা ও বাঙ্গালীর গর্ব। আমরা ইতিহাস থেকে জানি— আমাদের আদি হিন্দুসমাজে “সতীদাহ” তথা মৃত স্বামীর চিতায় জীবন্ত স্ত্রীর “সহমরণ”— এই কুপ্রথা চালু ছিল। রাজা রামমোহন রায় সেই নিষ্ঠুর প্রথা রদ করেছিলেন— অনেক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে। আর বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বিশেষ কৃতিত্ত— তিনি আমাদের সমাজে প্রথম “বিধবা বিবাহ” চালু করেছিলেন— তখনকার সমাজে অল্প বয়সি বিধবাদের নিদারুন দুঃখ কষ্ট ও দুর্দ্দশা প্রত্যক্ষ করে। গোঁড়া হিন্দু সমাজে সেজন্য তাঁকেও অনেক বিদ্রুপ ও লাঞ্ছণা সহ্য করতে হয়েছিল। অনেক বাঙ্গালী কৃতিসন্তানের নাম উল্লেখ করা সম্ভব হ‘ল না। কিন্তু তাঁদের সকলের অবদান বাঙ্গালির হৃদয়ে চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে।।
 
- সুনীল কুমার সাহা
 
গুনে গরিমায় আমাদের নারী আদর্শ দুনিয়ায়।
রূপে, লাবণ্যে, মাধুরী ও শ্রী তে হুরী পরী লাজ পায়।।
- সুজাতা ঘোষ (আঁকা ও লেখা)
আমি যে অতুলনীয়
ঊঁহু উঁহু চোখ কচলাবার দরকার নেই। শিরোনাম টা ঠিকই পড়েছেন। কি বলছেন? অতুলনীয় শব্দটা ভুল? ওরকম কোনো শব্দ হয় না? শুধু অতুলনীয়াই হয়? অর্থাৎ কিনা অতুলনীয় হওয়ার ব্যাপারটাতে শুধুমাত্র মহিলাদেরই একচ্ছত্র অধিকার? তাহলে বলি সুধী পাঠক - আপনার এই ধারনা একেবারেই ভুল। অতুলনীয় কথাটা শুধু অভিধান সিদ্ধই নয়, ওই বিশেষনটা ব্যবহার করার মতো উপযুক্ত অনেক মানুষকেই আমি চিনি। এই আমার, আপনার চারপাশেই আছেন তাঁরা - এবং সংখ্যায় অনেকই আছেন। তবে শুধু চিনি বললে ভুল বলা হল - আসলে তাঁরাই আমার মাথাব্যাথার কারন। আর তাঁরাই হলেন আমার অতুলনীয় হয়ে ওঠার প্রধান অন্তরায়। কি বলছেন? ব্যাপারটা ঠিক বোধোগম্য হচ্ছে না? সব গুলিয়ে যাচ্ছে? হাঃ হাঃ হাঃ - ওটাই তো আমার কাজ - সব কিছু গুলিয়ে দেওয়া। কারন? কারন, আমি যে অতুলনীয়।

ব্যাপারটা খুলেই বলি। কিছুদিন আগেকার কথা। দিনটা ছিল সপ্তাহান্তের কোনো একটা দিন। দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর সোফায় আধশোয়া হয়ে একটু ফেসবুক চর্চা করছি, এমন সময়ে ----

                             'এমন সময়ে, ঈশান, তোমার
                                            বিষাণ উঠেছে বাজিয়া।'

না না ওটা হল কবির বানী - 'এমন সময়ে - ' কথাটা ওইভাবে শুনলেই আমার এই লাইন দুটো মনে পড়ে। আমার ক্ষেত্রে বিষাণ টিষাণ কিছুই 'বাজিয়া উঠিল' না, যেটা হল সেটা হচ্ছে - 

                                            'গৃহিনী এলেন ছুটিয়া -'

কী ব্যাপার?!
ধড়ফড় করে উঠে বসলাম। গৃহিনী যখন 'ছুটিয়া' আসেন তখন একটু আশঙ্কার কারন থাকে বৈকি। গৃহিনীর উত্তেজিত বাক্যালাপ এবং ততোধিক উত্তেজিত হাত-মুখ নাড়ার মধ্যে দিয়ে শেষ পর্যন্ত এটা বোঝা গেল যে সুদূর গুজরাটবাসী আমার এক কলেজের বন্ধু আজ সকালে ব্রেকফাস্ট তৈরি করেছে - বানিয়েছে পাস্তা। তিন-চার রকম ডিজাইনের পাস্তা, চিকেন আর মাশরুমের টুকরোর সাথে মিলেমিশে সে নাকি এক দারুন ব্যাপার। কী ভয়ংকর ব্যাপার বলুন তো! পাস্তার ওই বিভিন্ন ডিজাইনের কোনটার কি নাম সেটাই মনে রাখতে পারি না - তায় আবার বানানো! যাইহোক, জানা গেল সেই পাস্তা নাকি ভীষন সুস্বাদু হয়েছে। আর ফেসবুক, হোয়াট্‌স্‌অ্যাপ-এর হাত ধরে সেই পাস্তার বর্ণ, গন্ধ, ছবি দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। বরফে মোড়া পাহাড় থেকে একটা ছোট্ট বরফের গোলা গড়িয়ে গড়িয়ে নামতে নামতে যেমন আরো বেশি বরফ জড়িয়ে নিয়ে সাইজে বড় হয়, তেমনি সেই পাস্তার বর্ননা, ছবিও নানা রকম কমেন্ট আর লাইক যোগাড় করতে করতে বড় হয়ে চলেছে। বাহ্‌ রে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড! নিমেষের মধ্যে খবর পশ্চিম ভারতের ছোট্ট এক শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ছে সারা পৃথিবীতে, আর তারই দু'একটি ছবি আমার বন্ধুপত্নীর কল্যানে আমার গৃহিনীর ফোনে স্থানলাভ করেছে। মনে মনে প্রমাদ গুনলাম। মুখে একটু দার্শনিকের ভাব এনে বললাম, 

- হ্যাঁ, ওর বরাবরই একটু রান্নাবান্নার ন্যাক ছিল
- এর আবার ন্যাক এর কি আছে, ইচ্ছে থাকলেই করা যায় - আমাদের ও তো ইচ্ছে করে মাঝে মাঝে ছুটি পেতে, না কি ?

হক কথা। ছুটি সবারই দরকার। তা ছুটির সুযোগ তো নিশ্চয়ই করা হয়েছে - এই আমিই করে দিয়েছি - নিশ্চয়ই করেছি - এক আধবার নয়, বহুবার......। মনে করার চেষ্টা করলাম - কিন্তু স্মৃতি ব্যাপারটা খুব গোলমেলে - কখন যে কোনটা মনে রাখে আর কোনটা রাখে না বলা খুব মুশকিল। আপ্রাণ মনে করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকলাম - এত বার এত কিছু বানিয়েছি - একটাও কি মনে পড়বে না .........! কিন্তু ততক্ষনে গিন্নির ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গেছে

- কি গো, কি ভাবছো এত?
- না মানে ভাবছি, তুমি ঠিকই বলেছ - ছুটি তো দরকারই। আর সে জন্যই তো মাঝে মাঝে আমিও বানাই
- কি বানাও?
- কেন? খাবার? আরে না না - ওইসব পাস্তা টাস্তা নয় - ওগুলো খুব একটা স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। মনে নেই - সেই সেবার সান্ডউইচ বানিয়েছিলাম - সেই যে চীজ, এগ......
- স্যান্ডউইচ!! ওটা আবার বানানো বা বলার মত খাবার হল?
- কেন? কেন? স্যান্ডউইচ তো খুব ভাল খাবার - ব্রেকফাস্ট-এ এর চেয়ে ভাল খাবার আর হয় না। আর ওইসব পাস্তা টাস্তা তো যে কেউ বানাতে পারে - খুব ইজি ব্যাপার -
- হুম, আর স্যান্ডউইচ?
- আরে স্যান্ডউইচে কষ্ট আছে বাবা - যে কেউ কি আর বানাতে চায়! এই দোকান থেকে সব খুঁজে খুঁজে কিনে আনো রে, কাটাকুটি কর রে, ব্রেড সাজাও রে .........আরো কত কিছু। পাস্তা তো সেই তুলনায় কিছুই না...............

আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই প্রমাণ করতে যে পাস্তা টাস্তা নিছক ছেলেমানুষি ব্যাপার (যাকে বলে বাঁয়ে হাত কা খেল) - এর চেয়ে স্যান্ডউইচ অনেক ভাল আর স্বাস্থ্যকর খাবার, আর স্যান্ডউইচ বানানো মোটেই খুব সহজসাধ্য কাজ নয়। আমি যে সেই বন্ধুর থেকে কোনো অংশেই কম নই তা প্রমাণ করার চেষ্টা চলতে থাকে। চলতে থাকে আমার অতুলনীয় হয়ে ওঠার চেষ্টা।

তবে এটা তো গেল মাত্র একটা ঘটনা - এরকম অনেকই আছে। আর শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে বন্ধু-বান্ধবের সংখ্যাও আমার বিশেষ কম নেই। তাই মাঝে মধ্যেই এদের বিভিন্ন পারদর্শীতার নমুনা চোখের সামনে এসে পড়ে, আর আমাকেও হয়ে উঠতে হয় 'অতুলনীয়'।  বার বার প্রমাণ দিয়ে চলি আমার অতুলনীয়তার; অন্তত চেষ্টাটা চালিয়ে যাই। 
 
- কৌশিক কুন্ডু

 
Credits & Thanks
Overall Concept & Design
Prasun Saha; Koushik Kundu
Title "আরেব্‌BAS" by
Debashis Tarafdar
Title "আরেব্‌BAS" Artwork Design
Biswaroop Som
Content Plan & Writing
Koushik Kundu; Prasun Saha
Event Teaser Video Compilation
Debashis Tarafdar
Support & Motivation
Bengali Association Singapore Members, Advertisers, Sponsors & Well wishers
 

BAS 2016 Membership Dues

Website
Facebook
https://twitter.com/twitt_BAS
Instagram
Email

Special Thanks to Our Sponsors

Copyright © 2016 Bengali Association Singapore, All rights reserved.
 
For any Feedback on this Newsletter, Please write to:
mc@bas.sg

Want to change how you receive these emails?
You can update your preferences or unsubscribe from this list
 
*Published & Circulated by Bengali Association Singapore MC 2016*






This email was sent to <<Email Address>>
why did I get this?    unsubscribe from this list    update subscription preferences
Bengali Association Singapore · SINDA Building 1 Beatty Road · Singapore 209943 · Singapore

Email Marketing Powered by MailChimp